Home

Bangladesh Charities

Latest Updates

চাঁদপুরে আজ ইফতারের সময় ৬:৩৭ মিনিটে।

আরিফুল ইসলাম – নিজের জন্য নয় সমাজ ও মানুষের সেবা করার মাঝেই সবচেয়ে বড় আনন্দ। জীবনের উদেশ্যে হওয়া উচিৎ নিজেকে সুখী করার পাশাপাশি অন্যেকে সুখী করা। মানবসেবা একটি মহৎ কর্ম। আর্ত মানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার মধ্যেই রয়েছে জীবনের স্বার্থকতা। ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আব্দুল আউয়াল স্যার এর ভাষায় “নিজের অবস্থান থেকে অন্যের জন্য কিছু করতে পারাই মানব জন্মের স্বার্থকতা”। পৃথিবীতে যারা নিজেদেরকে আর্তমানবতার সেবায় বিলিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে, সেই মানুষগুলোই সবচেয়ে সুখের কাছাকাছি যেতে পেরেছে। সারা বিশ্বের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনগুলো মানবতার সেবাই নিয়োজিত। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে সামাজিক সংগঠনের পরিমাণ খুবিই নগন্ন। বাংলাদেশের সমাজসেবা অধিদফতর থেকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রন) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ ও সংশ্লিষ্ট বিধি, ১৯৬২ এর আওতায় সংগঠনগুলো নিবন্ধিত হয়ে থাকে। সেচ্ছাসেবী এ সকল সামাজিক সংগঠনগুলো মানবসেবার পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নেও অংশগ্রহন করে আসছে। সমাজের অবহেলিত, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে এগিয়ে নিতে প্রাতিষ্ঠানিক সমাজকর্মের ভূমিকা অপরিসীম। সংস্থাগুলো বিভিন্ন সেবামূলক কাজে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালিত করে আসছে। তারা শিশু কল্যাণ, যুব কল্যাণ, শারীরিক ও মানসিক অসমর্থ্য ব্যক্তিদের কল্যাণ, বয়স্ক শিক্ষা, পূর্ণবাসন, দুস্থদের কল্যাণ, দরিদ্র রোগীদের সেবা, রক্তদানসহ নানাবিধ মানবকল্যানে নিয়োজিত। বাংলাদেশে রক্তদানে কোয়ান্টাম মেথডের ভূমিকা অসামান্য। মূমুর্ষ রোগীদেও জরুরী রক্তের চাহিদা পূরণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। রক্তদান হচ্ছে সবচেয়ে বড় একটি মানবসেবা। এটা একটা এবাদত। একজন মুর্মূর্ষ রোগীকে রক্তদান করে প্রাণে বাঁচানোর ঋণ শোধ করা যায় না। একবিংশ শতাব্দিতে বিজ্ঞানের আর্শীবাদে জীবন ও জগতের উন্নতি হওয়া সত্বেও রক্তের কোন বিকল্প আবিষ্কার হয়নি। রক্তের বিকল্প শুধু রক্ত যা টাকার পরিমাপে মূল্যায়ণ অসম্ভব। একজন মূমুর্ষ রোগীর জন্য যখন জরুরী রক্তের প্রয়োজন হয় তখন বোঝা যায় রক্তের মূল্য কতখানি। প্রতিনিয়ত রক্তের অভাবে ঝরে যায় হাজারো প্রাণ। কিন্তু সামাজিকভাবে বাংলাদেশে সেচ্ছায় রক্তদানের সংখ্যা নিতান্তই অপ্রতুল। এর কারন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা রক্তদান সম্পর্কে সচেতন নই, রক্তদানের কথা শুনলে আমরা ভয় পাই। কিন্তু আমরা যদি রক্তদান সম্পর্কে জানতে পারি, নিজেকে সচেতন করতে পারি ও মানবসেবায় নিজেকে উজ্জিবিত করতে পারি তাহলে রক্তদান সম্পর্কে ভয়টাকে জয় করতে পারি। কারন ১৫-৫৭ বছরের সকল নারী পুরুষ শারীরিকভাবে সুস্থ্য থাকলে ১২০ দিন পর পর এক ব্যাগ রক্ত দান করতে পারে। রক্তদান সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি ও রক্তদানকে একটি সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গড়ে তোলার মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ২০১০ সালের ৫ই মে কিছু উদীয়মান মানবসেবী তরুনের অক্লান্ত পরিশ্রমে যাত্রা শুরু করে উই ফর ইউ ব্লাড ব্যাংক নামে সংগঠনটি। বর্তমানে সংগঠনটির সাফল্য অনেক। বাংলাদেশে শতভাগ রক্তের চাহিদা পূরণের স্বপ্ন নিয়ে বহু চড়াই উতরাই পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সংগঠনটি। এ লক্ষ্যে বর্তমানে কোম্পানীগঞ্জের গন্ডি পেরিয়ে মাইজদী জেলা শহর, ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনীসহ বিভিন্ন শহরে বেশ কয়েকটি শাখার মাধ্যেমে তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় আয়োজনের মাধ্যেমে জানিয়ে দিচ্ছে সকল ধরনের মানুষকে তার নিজ নিজ রক্তের গ্রুপ। এছাড়াও রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করে বর্তমানে সংগঠনটি এ পর্যন্ত ৮০০০ ব্যাগ রক্তদানের মাধ্যেমে মানবসেবায় অসামান্য অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে। সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও সকলের মাঝে সম্প্রীতি সেতুবন্ধন তৈরিতে সামাজিক সংগঠন গুলোর উল্লেখযোগ্য ভুমিকা রয়েছে। আমাদের সকলের উচিত মানুষকে ভালোবাসা ও আর্ত মানবতার সেবায় উজ্জিবিত হয়ে মানবতার কল্যানে ব্রতি হওয়া। আর্ত মানবসেবায় নিয়োজিত বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনগুলোর কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা।

লিখায় : Zareen Sithi ৮ বছরের ফুল বিক্রি করা মেয়েটা জানে না কিভাবে জন্ম ওর, কে ওর বাবা মা! জানে না অাজ রাতে কিছু খেতে পারবে কি না। জানে না পড়াশুনা টা কি। জানে না কিছু কুৎসিত দৃষ্টির মানে।বুঝে না কোনটা ভালো কোনটা খারাপ।নিজের অস্তিত্বের মূল্য ও জানে না।শুধু জানে গোলাপ ফুলের গুচ্ছের দাম। ১০০ টাকা। যেভাবেই হোক ৩-৪ ঘন্টার মধ্যে ১০০ টা গোলাপের গুচ্ছ বিক্রি করতে হবে।টাকাটা খালার হাতে দিতে হবে।না না খালা টা নিজের না,পাতানো।ছোট্টো থেকে ওই পাতানো খালাই ওকে বড় করেছে। মেয়েটার কোমরের ঠিক একটু ওপরে একটা কাটা দাগ অাছে। সে এত সৌভাগ্যবতী যে এটা ও জানে না সে একটা কিডনি নিয়ে জীবন যাপন করছে।কংক্রিটের স্বার্থপর পৃথিবীর মানুষ ওর শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ব্যবসা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করে দিয়েছে।তবু মেয়েটা এই স্বার্থপর পৃথিবীর মানুষের হাতে ফুল তুলে দেয়।যদিও টাকার বিনিময়ে ফুল তবুও মেয়েটা ভালোবাসার কন্ঠে যখন বলে অাপু একটা ফুল নিবে খোপায় পড়লে তোমাকে অনেক মানাবে;ভাইয়া একটা ফুল নিয়ে যান অাপু খুশি হবে।তখন কি নিজেকে ঠিক রাখা যায়?? ওই ১০০ টাকার বিনিময়ে মেয়েটার মুখে একটা অমলিন হাসি দেখতে পাওয়া যায়। অাচ্ছা মেয়েটা যে এইটুক হলো ও বাস্তব পৃথিবী টা কতটুকু বুঝে? ওর জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা কতটুকু? ও কি জানে ওর একটা সেফ জোনে থাকা দরকার?কে ওর সাথে কোন ব্যবহার কিভাবে করছে তাও বুঝতে পারার মতো ক্ষমতা ওর মধ্যে কেউ তৈরি করে দেয় নি। ও কে কি কেউ বুঝিয়েছে এই জিনিস গুলো কখনো? অাচ্ছা ওর জন্য সেফ জোন টা ঠিক কি বা কাদের দ্বারা হবে? কেউ ই তো নেই ওর। তাহলে? অামি একটা মেয়ে।অামার বাবা অাছে,মা অাছে,বাড়ি অাছে,পরিবার অাছে, জাত অাছে, ধর্ম অাছে। অামি কারো ঘরের সম্মান তাই অামার সেফ জোনে থাকা দরকার।অামার অনেক দাম। সবাই খুব কেয়ার করে।অামি বিন্দুপরিমান ইন সিকিউরিটিতে থাকি না অামার সেফ জোনে। অামার স্বত্তার, অামার অস্তিত্বের, অামার সবকিছুর অনেক মূল্য।ওই মেয়েটা ও তো একটা মেয়ে। অাজ অামি যদি কোনো হেরেসমেন্টের শিকার হই বা অামার জায়গায় অন্য যেকোনো মেয়ে হোক পুরো মিডিয়া, জাতি সব এক হয়ে যাবে। বিচার পাক না পাক মানববন্ধন তো হবেই। অার সেই মেয়েটার সাথে কিছু যদি হয় কেউ তো জানতে ও পারবে না। সুবিধাবঞ্চিত মানে শুধু খাদ্য, বস্ত্র কিংবা বাসস্থান এর সুবিধা থেকে বঞ্চিত না।এর বাহিরে ও অনেক কিছু থাকে। ওকে শিক্ষা দিয়ে বিবিএ এমবি এ কমপ্লিট করানোর কথা বলছি না।মেডিকেলে কিংবা ঢাবি তে ও পড়ানোর কথা বলছি না। কিন্তু মিনিমাম শিক্ষা টা তো অধিকার ওর। অন্তত নিজের অস্তিত্ব কে টিকিয়ে রাখার জন্য। ওইটুক ও কি অামরা দিতে পারি না? অন্তত ও যাতে অাপনার অামার হাতে ফুল তুলে দিতে পারে,ওর মলিন হাসিটা দেখে অাপনি অামি একটু শান্তি পেতে পারি ওইটুকের জন্য ও তো ওর বেঁচে থাকাটা দরকার তাই না? সুন্দর ভাবে বাঁচাটা দরকার। অামি জানি বেঁচে থাকলে ও ভিক্ষা করে ও খেতে পারবে কিন্তু ওর অস্তিত্বই যদি না থাকে তাহলে? কি হবে? অাপনার অামার কিছুই হবে না।শুধু ও অাপনাকে, অামাকে, অামাদের সবাইকে নিজের কাছে দোষী করে যাবে। অার দোষী হওয়ার সেই ভয় টা ও যদি অাপনার মনে না অাসে তাহলে নিজেকে সভ্য, বিবেকবান বলে দাবী করা ছেড়ে দিন। শব্দ গুলো অাপনাদের জন্য না। ওদের পাশে একটু দাড়ান।টাকাপয়সা খরচ করতে হবে না।নিজের অবস্থানে থেকে ওদের একটু বুঝার চেষ্টা করলে ও অনেক হবে। শিক্ষা না পাক অন্তত অবহেলিত,শোষিত কিংবা অত্যাচারিত হবে না।

আগামী শুক্রবার (12/05/17) ইং তারিখে বিকাল -৪.০০ ঘটিকায় সংস্থার জরুরি সভা আহ্বান করা হচ্ছে। স্থান : আল - আমিন মডেল মাদ্রাসা প্রাঙ্গন। উক্ত সভায় কমিটির সকল সদস্য এবং সাধারন সদস্যদের উপস্থিতি একান্তভাবে কামনা করছি। উক্ত সভায় বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে জরুরি আলোচনা করা হবে। মোঃ নাছির উদ্দিন পিন্টু কোষাদক্ষ The Give In Charity Organization

@HAjigonj,chandpUR 2017-03-17

https://www.facebook.com/Green-Shop-Bd-270651370039807 shobai pagee ta like din.....amra amraito...

সকল সাবেক শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ------------------------------------------ চাঁদপুর এম.এ. খালেক মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে যারা পড়াশুনা করেছেন তাদের সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি, আপনারা নিশ্চয় অবগত আছেন আগামী ১৬ ডিসেম্বর শুক্রবার এক্স-স্টুডেন্টস্ এসোসিয়েশন, চাঁদপুর এম.এ. খালেক মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ এর উদ্যাগে ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম এবং একাদশ শ্রেণির মেধা বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি শ্রেনি থেকে তিন জনকে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হবে। এ লক্ষে পরীক্ষা শুরু হবে ১৬ ডিসেম্বর ঠিক সকাল ৯ টায়। উক্ত পরীক্ষায় কক্ষ পর্যবেক্ষক এবং খাতা দেখার সমস্ত দায়িত্ব পালন করবে এক্স-স্টুডেন্টস্ রা। কক্ষ পর্যবেক্ষক এবং খাতা দেখার জন্য আপনাদের সহযোগিতা এবং উপস্থিতি একান্ত প্রয়োজন। স্কুল আমাদের, স্কুলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া তথা শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বও আমাদের। তাই নিজের দায়িত্ব মনে করে আশা করি সবাই সহযোগিতা করবেন। যারা আসতে পারবেন, তাঁরা বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ১৫ ডিসেম্বর দুপুর ২ টার মধ্যে আমাকে ম্যাসেজ অথবা কল দিয়ে অনুগ্রহপূর্বক নিশ্চিত করবেন। আমার নাম্বার 01840080242 এবং 01516115661

ডেল কার্নেগীর ২৫ টি স্মরণীয় উক্তি: (১) যার কথার চেয়ে কাজের পরিমান বেশী, সাফল্য তার কাছেই এসে ধরা দেয়,কারন যে নদী যত গভীর তার বয়ে যাওয়ার শব্দ ততো কম। (২) মনে রাখবেন, আপনি কে বা আপনার কি আছে তার উপর আপনার সুখ নির্ভর করেনা, আপনার সুখ নির্ভর করে আপনি কেমন চিন্তা করেন তার উপর। (৩) যা আপনাকে পীড়া দেয়, এমন বিষয় নিয়ে এক মিনিটের বেশি ভাববেন না। (৪) মানুষের গুণ নিয়ে প্রতিযোগিতা করুন দোষ নিয়ে নয়। (৫) মনে রাখবেন আজকের দিনটি গতকাল আপনার কাছে আগামীকাল ছিল। যেটার কথা ভেবে গতকাল আপনি চিন্তিত ছিলেন আজ নয়। (৬) আপনি ভাল মানুষ হলেই পুরো জগৎবাসী আপনার সঙ্গে ভাল ব্যবহার করবে এমনটা আশা করা ঠিক নয়। আপনি নিরামিষভোজী হলে কি কোন ষাঁড় আপনাকে তাড়া করবে ) অস্পষ্টতায় ভরা দুরের কিছুর চেয়ে কাছের স্পষ্ট কিছু দেখাই আমাদের দরকার। (৮) কি কাজ করতে চলেছেন সে সম্পর্কে কোন ধারণা না থাকার অর্থ,আপনি অন্ধকারের যাত্রী কোন অন্ধের মত। (৯) মন্দ সহচর্যের চেয়ে নিঃসঙ্গতা অনেক ভালো। (১০) মানুষ যখন রাগান্বিত অবস্থায়,তখন তাকে কোনভাবে বিরক্ত করা উচিত নয় ।কেননা তা থেকে চরম ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হতে পারে। (১১) পৃথিবীতে ভালবাসার একটি মাত্র ঊপায় আছে, সেটা হল প্রতিদান পাওয়ার আশা না করে শুধু ভালবেসে যাওয়া। (১২) মনে রাখবেন অন্যায় সমালোচনা অনেক ক্ষেত্রেই আড়াল করা প্রশংসাই: মনে রাখবেন মরা কুকুরকে কেউ লাথি মারেনা। (১৩) দুশ্চিন্তা দূর করার এক নম্বর উপায় হল- ব্যস্ত থাকা। (১৪) আমি চাইতাম বিখ্যাত ব্যক্তিদের মতো সফল হতে; এর জন্য আমি অনেক পরিশ্রমও করেছি কিন্তু আমি কোনভাবেই সফল হইনি,অবশেষে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম- অন্যের মতো নয়- বরং আমি হবো আমার মতো। (১৫) অনুকরন নয়, অনুসরন নয়, নিজেকে খুঁজুন, নিজেকে জানুন, নিজের পথে চলুন। (১৬) আমরা যখন আমাদের কর্তব্য - কর্মে অবহেলা দেখাই, কোন দায়িত্বকে নিষ্ঠার সঙ্গে গ্রহন করিনা, তখনই অকৃতকার্যতা আসে। (১৭) ভদ্র আচরন করতে শিক্ষা লাগে, অভদ্র আচরন করতে অজ্ঞতাই যথেষ্ট। (১৮) সাফল্য হল আপনি যা চান তা হাসিল করা। আনন্দ হল আপনি যা চান তা পাওয়া। (১৯) দাম্পত্য জীবনে সুখি হতে চাও? তাহলে-পরস্পরকে অবিশ্বাস করবেনা আর ঘ্যানর ঘ্যানর করবে না। (২০) একটি সুন্দর মুখের কুৎসিত কথার চেয়ে, একটি কুৎসিত মুখের মধুর কথা অধিকতর শ্রেয়। (২১) যে স্ত্রীরা স্বামীকে সুখী করতে পারেন, তারা নিজেরাও তারি সঙ্গে সুখী হন। তারা অতি সহজেই বলতে পারেন যে স্বামীর সহযোগিতায় আমাদের জীবন কানায় কানায় পূর্ণ। (২২) মনে রাখা প্রয়োজন যে, একজন হতাশা গ্রস্থ মানুষের চেয়ে একজন সুখী মানুষ হাজার গুন বেশী কর্মক্ষম। (২৩) যে অবস্হায়ই পড়ুন না কেন- অবস্থার ভালো মন্দ না দেখে বিচার করা উচিত নয়। (২৪) সব সময়-ই অপর ব্যাক্তিকে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব উপলব্ধি করার সুযোগ দিন (২৫) যিনি নিজের মন নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছেন তিনিই সফলতা লাভ করেছেন।